You are currently viewing সুজির মোহনভোগঃ মিষ্টি হালুয়ার রেসিপি

সুজির মোহনভোগঃ মিষ্টি হালুয়ার রেসিপি

মোহনভোগ তার আবার সুজির!  মোহনভোগ তো আমরা কম বেশি সবাই খেয়েছি, আবার অনেকেই আছেন যে এই মোহনভোগ খুব বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু সুজির মহনভোগ খেয়েছেন কি? সুজির মোহনভোগ অনেক টা সুজির হালুয়ার মত দেখতে লাগলেও এর স্বাদের ভিন্নতা রয়েছে। একেবারে মুখে লেগে থাকার মতনই স্বাদ এর। তাহলে আজ জেনে নিন সুজি দিয়ে কিভাবে খুব সহজে বাড়িতে থাকা অল্প উপকরণে বানিয়ে ফেলা যায় সুজির মোহনভোগ।

সুজির মোহনভোগ তৈরির উপকরণঃ

  • ঘি =১/২ কাপ।
  • সুজি=১/২ কাপ।
  • চিনি =১/২ কাপ।
  • দুধ =১লিটার (জ্বাল দিয়ে ১/২ লিটার করে নিতে হবে)।
  • এলাচ =৩/৪ টা।
  • তেজপাতা =২টা।
  • লবণ =প্রয়োজন মত।
  • কিসমিস =৩ টেবল চামচ।
  • কাজু বাদাম=১ টেবল চামচ।
  • আমন্ড কুচি=১টেবল চামচ।

সুজির মোহনভোগ প্রস্তুত প্রণালিঃ 

মিষ্টি এই খাবারটি বানাতে প্রথমেই চুলায় পাত্র বসিয়ে মাঝারি আঁচে দুধ জাল দিয়ে নেবেন। সুজির মোহনভোগ এর জন্য একটু ঘন দুধের প্রয়োজন, তাই ১ লিটার দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে নেবেন। এখন কাড়াইতে হালকা ঘি গরম করে বাদাম গুলো ভেজে তুলে নিন। এবার চুলায় কড়াই বসিয়ে তাতে ১/২ কাপ ঘি গরম করে নিতে হবে, এক্ষেত্রে বলে রাখি,সুজির মোহনভোগ তৈরীতে ঘি এর পরিমাণ একটু বেশি লাগে।

ঘি গরম হলে তাতে সুজি দিয়ে হালকা আঁচে ভাজতে হবে। সুজি ভাজা হয়ে এলে তাতে দুটো তেজপাতা দিয়ে নেড়ে চেড়ে তাতে সামান্য লবণ দিয়ে নেড়ে নিয়ে তাতে চিনি মিশাতে হবে। এ পর্যায়ে নাড়া বন্ধ করা যাবে না। নাড়াচাড়া এর মধ্য দিয়ে অল্প অল্প করে চিনি মিশাতে হবে,সুজি ঝরঝরে হয়ে এলে তাতে দুধ ও এলাচ দিতে হবে। দুধ মিশানোর সময় নাড়া বন্ধ করা যাবে না, তাহলে সুজি কড়াইতে লেগে যেতে পারে। দুধ আর সুজির মিশ্রণ টা হয়ে এলে,অর্থাৎ, কড়াই থেকে ছাড়া ছাড়া ভাব হলে তাতে ভেজে রাখা বাদাম ও কিসমিস অর্ধেক টা দিয়ে মিশিয়ে চুলা বন্ধ করে দিন। ব্যাস হয়ে গেল সুজির মোহনভোগ। এবার রান্নার পাত্রটি নামিয়ে পরিবেশনের পাত্রে তুলে নিয়ে বাকি অর্ধেকটা বাদাম কিসমিস ছড়িয়ে দিন।  এবার আপনার ঘরে তৈরি সুজির মোহনভোগ পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

আরও পড়ুনঃ লবঙ্গ লতিকা রেসিপি || ঝটপট বানিয়ে ফেলুন সুস্বাদু পীঠা

"<yoastmark

সুজি শুধু উপাদেয় খাদ্যই নয়- 

সুজি তৈরী হয় গম থেকে, আর সুজি চাল বা আটার মতোই শর্করা জাতীয় খাদ্য।যে কোন সময় শরীরের শক্তি যোগাতে সুজি খেতে পারেন। সুজি খাবার পরপরই আপনার কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। উচ্চ পরিমাণে ফাইবার ও সোডিয়াম থাকার ফলে এতি আপনার ডায়েট তালিকাও কার্যকর রাখবে। সুজিতে অল্প পরিমাণে গ্লাইকেমিক উপাদান থাকে যা, ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী এবং ওজন কমাতেও সাহায্য করে। এতে জিংকের উপস্থিতি থাকায় ইমিউনিটি সিস্টেমেও উন্নতি হয়। সুজিতে ২৫ শতাংশ অংশে ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা হাড় শক্ত করতে সাহায্য করে।

*আরও মজাদার রেসিপি ও রান্নার আইডিয়া পেতে আমাদেরকে ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, পিন্টারেস্টইন্সটাগ্রামে ফলো করতে পারেন।

 

This Post Has 2 Comments

Leave a Reply